ইসলামী ঐতিহ্যে খাঁটি মধু পুষ্টিকর ও উপকারী খাদ্য হিসেবে অত্যন্ত সম্মানিত।
কোরআনে ইরশাদ করেছেন, “তাদের (মৌমাছি) পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় (মধু) বের হয়, যাতে মানুষের জন্য আরোগ্য রয়েছে।”
সহিহ বুখারিতে আছে, রাসূলুল্লাহ সা. পেটের সমস্যায় মধু খাওয়ার পরামর্শ দেন, এবং আল্লাহর ইচ্ছায় তিনি সুস্থ হন (সহিহ বুখারি৫৬৮৪)।
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সা. এর কাছে এসে বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল, আমার ভাইয়ের পেটের অসুখ হয়েছে।” রাসূলুল্লাহ সা. বললেন, “তাকে মধু পান করাও।” তিনি মধু পান করালেন। কিছুক্ষণ পর আবার এসে বললেন, “আমি মধু পান করিয়েছি, কিন্তু তার অসুখ আরও বেড়েছে।” রাসূলুল্লাহ সা. আবার বললেন, “তাকে আবার মধু পান করাও।” তিনি দ্বিতীয়বারও মধু পান করালেন। এরপরও এসে একই কথা জানালে রাসূলুল্লাহ সা. তৃতীয়বারও বললেন, “তাকে মধু পান করাও।” অবশেষে, আল্লাহর ইচ্ছায় তার ভাই সুস্থ হয়ে গেলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সা. বললেন, “আল্লাহ সত্য বলেছেন, আর তোমার ভাইয়ের পেটের ব্যথা ভাল হয়ে গিয়েছে।”
এই ঘটনা থেকে বোঝা যায়, ইসলামে মধুকে উপকারী প্রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে,
আধুনিক গবেষণায় খাঁটি মধুর সম্ভাব্য উপকারিতা
আধুনিক গবেষণায় দেখা যায়, খাঁটি মধু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানে সমৃদ্ধ, যা স্বাভাবিকভাবে শরীরের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।